ad720-90

যেভাবে এলো ‘ওএমজি’ ও ‘লুল’ শর্ট ফর্ম


ভাবছেন ওএমজি এই শব্দবন্ধ আধুনিক প্রজন্মের হাত ধরে হালে এসেছে? মোটেই না। বরং এ শব্দের ইতিহাস ও বয়স জানলে চমকে যেতে পারেন। ওহ মাই গড! এককথায় ‘ওএমজি’। ফেসবুক আসার পর এই শর্ট ফর্মের এতই জনপ্রিয়তা বাড়ে যে, ‘ওএমজি’ লেখা জিফ ইমেজ ও স্টিকারও চলে আসে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোয়। শুধু ওএমজি-ই নয়, এলওএল (লোল), এএসএপি (অ্যাজ সুন অ্যাজ পসিবল) ইত্যাদি অ্যাব্রিভিয়েশন নিয়েও মজাদার স্টিকার তৈরি হয়।

 

ছোট্ট এই শব্দবন্ধ কোত্থেকে আমদানি হয়েছে, কী-ই বা তার ইতিহাস তা জানার আগে, চলুন জেনে নেই এর বয়স। ২০১৮-তে ১০১ বছর পূর্ণ করে ফেলেছে ‘ওহ মাই গ়়ড’-এর শর্ট ফর্ম ‘ওএমজি’।

এই শব্দ এতটাই প্রচলিত হয়ে ওঠে যে, ২০১২ সালে এই অ্যাব্রিভেয়েশনকে ব্যবহার করে বলিউডে একটি ছবির নাম রাখা হয়। অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল, মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত ‘ওএমজি’ বেশ জনপ্রিয়তাও পায়।

তবে এ শব্দের আমদানি বহু প্রাচীন। এই শব্দের জনক ব্রিটিশ ফার্স্ট সি লড লর্ড ফিশার। ১৯১৭ সালে ৯ সেপ্টেম্বর উইন্সটন চার্চিলকে একটি চিঠি লেখেন তিনি। সেখানেই এই শব্দবন্ধের প্রথম ব্যবহার করেন তিনি। চার্চিলের যাতে বুঝতে অসুবিধা না হয়, তাই ওএমজি-র পুরো কথাও লিখে দেন চিঠিতে।

তবে তখনই এই শব্দের ব্যবহার এত জনপ্রিয় হয়নি। বরং বর্তমান আমলে সোশ্যাল সাইটের রমরমা ও এসএমএস ল্যাঙ্গুয়েজের জমানায় এই ওএমজি-র ব্যবহার এত বেড়েছে। কেবল ওএমজি-ই নয়, লোল (এলওএল)-এর ব্যবহারও আধুনিক প্রজন্মের হাত ধরে আসেনি।

আশির দশকের শুরুর দিকে কানাডার ক্যালগারিতে ওয়ায়নে পিয়ারসন নামের এক ছাত্র তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার সময় এই শব্দ প্রথম ব্যবহার করে। এখনও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অট্টহাসি বোঝাতে এই শব্দ প্রায়শই ব্যবহার করে তরুণ প্রজন্ম। খবর বাংলাদেশ প্রতিদিন।





সর্বপ্রথম প্রকাশিত

Sharing is caring!

Comments

So empty here ... leave a comment!

Leave a Reply

Sidebar